এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?

এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) হলো কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সার্ভিস সমূহ অনলাইনের মাধ্যমে প্রচার করে কমিশন উপার্জনের প্রক্রিয়া। অন্য ভাবে যদি বলি, Affiliate Marketing হলো নিজের কোন Website, Youtube Channel, Facebook profile, Page, Group এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্য প্রচারণার মাধ্যমে বিক্রি করে কমিশন আয় করা।

এফিলিয়েট মার্কেটিং বিভিন্ন ভাবেই করা যায়। যেমন – এফিলিয়েট ওয়েবসাইট , ইনস্টাগ্রাম ব্লগ, ফেসবুক পেইজ, গ্রুপ, ইউটিউব চ্যানেল ও পিন্টারেস্টে পিন তৈরি করার মাধ্যমে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন 1

তবে সবচেয়ে প্রচলিত উপায় হল ওয়েবসাইট বা ব্লগে এফিলিয়েট লিঙ্ক যুক্ত করার মাধ্যমে। যখন কেউ এই লিঙ্কটির মাধ্যমে পণ্য কিনে, তখন ঐ পণ্যের মোট দামের কিছু কমিশন আয় হয়। কি ধরণের পণ্য প্রচার করা হবে তার উপর কমিশনের হার নির্ভর করে।

ধরুন, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে, আপনি যদি পিসি এবং ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসগুলি প্রচার করেন তবে আপনি আপনার এফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে আনা প্রতিটি গ্রাহকের জন্য ২.৫% পাবেন। অন্যদিকে, আপনি যদি মহিলাদের ফ্যাশন এবং গহনাগুলি প্রচার করেন তবে আপনি প্রতিটি বিক্রয়ের ১০% পর্যন্ত পেতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কীভাবে কাজ করে?

প্রথমে, আপনাকে এমন একটি কোম্পানি বা পণ্য খুঁজে নিতে হবে যা আপনি প্রচার করতে চান। আপনার এমন একটি পণ্য বা সার্ভিস নির্বাচন করতে হবে যা আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক। যা আপনার সাইটের ভিজিটরদের জন্য দরকারী। আপনি যে কোম্পানির পণ্য বা সার্ভিসটি নিয়ে কাজ করবেন তারা হলেন সেটির সেলার বা মার্চেন্ট।

তারপর, ঐ কোম্পানির এফিলিয়েট হিসেবে কাজ করতে আপনাকে তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে এপ্লাই করতে হবে। তারা আপনার।, এপ্লিকেশন এপ্রুভ করলে তখন তাদের এফিলিয়েট হিসেবে কাজ করতে পারবেন। কিছু কিছু কোম্পানি এফিলিয়েট এর পরিবর্তে পার্টনার, এসোসিয়েটস ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে।

আপনি যখন তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন হবেন (এটিকে পার্টনার প্রোগ্রামও বলা হয়), আপনি একটি এফিলিয়েট আইডি পাবেন। এই আইডিটি সকল এফিলিয়েট লিঙ্কের সাথে ব্যবহার করে সাইটে প্রোডাক্টগুলো প্রমোট করতে হয়।

মার্কেটিং কি 1

প্রোডাক্ট রিভিউ এর পাশাপাশি ডিসপ্লে ব্যানার এড, ইমেইল নিউজ লেটার ইত্যাদির মাধ্যমে আপনি প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারেন। আপনার এফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে আসা সমস্ত ট্রাফিক মার্চেন্টের ওয়েবসাইট এ ট্র্যাক করা হয়।

এফিলিয়েট প্রোগ্রামগুলো Cookie পলিসির মাধ্যমে ট্র্যাক করে থাকে। ১-৩০ দিনের মধ্যে সে কোনো কিছু কিনলে তারা বুঝবে সেটি আপনার রেফারেন্সেই কেনা হয়েছে। অর্থাৎ আপনার লিঙ্কে ক্লিক করে ঐ সাইটে আসার ৩০ দিনের মধ্যে যদি কেউ কোনো কিছু কিনে, তাহলে আপনি কমিশন পাবেন। যেখানে অ্যামাজনের ক্ষেত্রে এই সময়কাল মাত্র ১ দিন।

আপনি তখনই কমিশন পাবেন যখন কেউ আপনার লিঙ্কের মাধ্যমে কোনো কিছু ক্রয় করে থাকে। তারপর একটা নির্দিষ্ট সময় পর ওই কমিশনটি আপনার একাউন্টে জমা হয়।

একজন এফিলিয়েট হিসেবে আপনার পারফরমেন্স অনুযায়ী আপনার আর্নিং নির্ভর করে। বেশ কয়েকটি স্টেপ অনুসরন করে এফিলিয়েট মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। নিচের এই তিনটি প্রচলিত উপায়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা যায় –

১. PPS (Pay Per Sale) – এফিলিয়েট মার্কেটিং এ এই মেথডটি সবচেয়ে জনপ্রিয়।
এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতা পাবলিশারকে কমিশন প্রদান করে। যখন কোন ক্রেতা তার দেওয়া এফিলিয়েট লিঙ্ক বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করা পণ্য কিনে থাকে।

৩. PPL (Pay Per Lead) – এ পদ্বতিতে লিড কনভার্ট করার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। একজন ক্রেতাকে বুঝিয়ে বিক্রেতার ওয়েবসাইট ভিজিট, কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর ট্রায়াল ভার্সনে সাইন আপ,কনটাক্ট ফর্ম পুরণ, নির্দিষ্ট ফাইল ডাউনলোড ও ইমেইল নিউজলেটার এ সাবস্ক্রাইব করাতে পারলে আপনার ইনকাম আসবে। এটাই হল Pay Per Lead।

৩. PPC (Pay Per Click) – এ পদ্বতিতে একজন এফিলিয়েট এর লক্ষ্য থাকে বিক্রেতার সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসা।

PPC হলো কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের উপর ভিজিটরের প্রতিটি ক্লিক এর ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন প্রদানকারী এফিলিয়েটক বা ওয়েব পাবলিশারকে অর্থ প্রদান করেন।

আপনার সাইট থেকে ওয়েব ট্র্যাফিক যত বেশি হবে তার অর্থ প্রদানের পরিমাণও হবে তত বেশি।

এতে পাবলিশার বা এফিলিয়েটের লক্ষ্য হলো ক্রেতা যেন বিক্রেতার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে। Pay Per Click হলো ক্রেতাদের প্রতি ক্লিকের বিপরীতে এফিলিয়েটরা কিছু কমিশন পেয়ে থাকে।

এফিলয়েট বা এফিলিয়েট মার্কেটার কারা?

এফিলিয়েট একজন ব্যক্তি বা কোম্পানি ও হতে পারে।তবে বেশিরভাগ সময় ব্লগার, ইউটিউবার ও ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সাররা হয়ে থাকেন। তারা মূলত যে নিশ বা ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করেন সেই রিলেটেড প্রোডাক্ট প্রমোট করে থাকেন।

সহজভাবে যদি বলি, এফিলিয়েট হলো সে সকল লোকজন যারা এক বা একাধিক কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রমোট করে থাকে। এফিলিয়েটরা পাবলিশার হিসেবে ও পরিচিত।

আর্টিকেল বা প্রোডাক্ট রিভিউ লিখে, ভিডিও বানিয়ে, বিজ্ঞাপন দিয়ে এবং মার্কেটিং এর বিভিন্ন কৌশল ফলো করে তারা প্রোডাক্ট বা সার্ভিসগুলো প্রচার করে থাকে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে চারটি গ্রুপের সম্পর্ক রয়েছে :

১. এফিলিয়েট বা পাবলিশার : কোনো পণ্য বা সার্ভিস প্রচার করা এফিলিয়েটদের কাজ।

২. পণ্য উৎপাদনকারী বা বিক্রেতা : পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করা।

৩. নেটওয়ার্কস : এরা এফিলিয়েট ও বিক্রেতাদের মিডলম্যান হিসেবে কাজ করে।

৪. ভোক্তা বা গ্রাহক : সর্বশেষ হলো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস গ্রহণকারী।

কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?

বর্তমানে অনলাইন এ উপার্জনের বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যতম। প্যাসিভ ইনকামের মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিংকে সবার সেরা হিসেবে গণ্য করা হয়। কারণ আপনি যদি এটি ঠিকমতো করতে পারেন তাহলে অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং ক্যাটাগরিগুলোর মতো রাত জেগে ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। তবে এগুলো শুনে মনে করবেন না এফিলিয়েট মার্কেটিং করা একটি সহজ কাজ। এর জন্য আপনাকে সময় নিয়ে কাজ শিখতে হবে।

আপনি যদি একজন বিগিনার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার মনে অনেক প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন? চলুন জেনে নিই –

১. নিশ সিলেকশন

এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার প্রথম শর্ত বা মাধ্যম হলো আপনাকে প্রথমে একটি নিশ বা ক্যাটাগরি বাছাই করতে হবে। আপনি কি নিয়ে কাজ করবেন সেটা আগে ঠিক করতে হবে। কেউ একজন ব্যবসা শুরু করতে চাইলে ও তাকে আগে ভাবতে হয় কি নিয়ে ব্যবসাটা আরম্ভ করবেন। ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে রান্নাবান্না,ভ্রমণ,স্বাস্থ্য,পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার ডেভেলাপমেন্ট সহ অসংখ্য নিশ রয়েছে। যার মধ্যে থেকে পছন্দমত একটি নিশ বাছাই করে শুরু করতে হবে।

নিশ সিলেকশনের পর সেই নিশ অনুযায়ী আপনার একটি এফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন হতে হবে। অথবা কোন একটি এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এ জয়েন হয়ে আপনার নিশ

২. নিশ সিলেক্ট করে ওয়েবসাইট তৈরি করা

আপনি কি নিশ নিয়ে কাজ শুরু করবেন সেটি ফাইনাল করার পর আপনাকে সেই নিশ এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় টুলস দিয়ে ওয়েবসাইটটি সেট করে নিতে হবে।

ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনি অনেকগুলো অপশন পাবেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যে কোন ওয়েবসাইট তৈরি করা সহজ। কোডিং জ্ঞান ছাড়াই, ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যে কেউ সহজে প্রফেশনাল লুকিং ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারে। তাই কমবেশি সবাই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকে।

তারপর প্রয়োজনীয় টুলস ও প্লাগিন দিয়ে আপনার সাইটটিকে সাজিয়ে নিবেন।

৩. কনটেন্ট তৈরি করা

ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আপনি যে বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান সে বিষয়ে তথ্য সমৃদ্ধ কিছু আর্টিকেল লিখে সাইটে পাবলিশ করতে হবে। এতে আপনার সাইটে ভিজিটর আনার পাশাপশি আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য একধাপ এগিয়ে যাবেন।

ধরুন, আপনি সাইট তৈরি করার পর কোনো একটি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বা নেটওয়ার্ক এ এপ্লাই করলেন তাদের প্রোডাক্ট প্রমোট করার জন্য। তারা কিন্তু সাথে সাথে আপনাকে এফিলিয়েট হিসেবে এপ্রুভ করবে না। কারন, আপনি যে তাদের প্রোডাক্ট কিসের মাধ্যমে প্রমোট করবেন তারা সেটা আগে দেখবে।

এখন তারা যদি দেখে আপনার সাইটে সে বিষয়ে কোনো তথ্য বা আর্টিকেল নেই তাহলে তারা আপনাকে এফিলিয়েট হিসেবে এপ্রুভ করবে না। আপনার সাইটে আর্টিকেল না থাকলে ভিজিটর ও আসবে না। আর ভিজিটর না আসলে সেখান থেকে তাদের প্রোডাক্ট কেউ নিবে না।

একজন ভালো এফিলিয়েট মার্কেটার শুধু তার সাইটে প্রোডাক্ট প্রমোট করে না। বরং তার পাশপাশি ঐ বিষয় সম্পর্কে তথ্য দিয়ে, নন আর্নিং আর্টিকেল লিখে ও তার ভিজিটরদের

তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার প্রথম ধাপ হলো নিশ সিলেক্ট ও ওয়েবসাইট তৈরি করে সে বিষয়ে আর্টিকেল লেখা।

৪. SEO করে সাইট র‍্যাংক করা

নিজের ওয়েবসাইটকে র‍্যাংক করাতে ও সার্চ ইন্ঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে SEO করার কোনো বিকল্প নেই। এতে সাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর আসতে শুরু করবে। আর সেজন্য আপনার সাইটের কনটেন্টগুলো SEO করে র‍্যাংকিং এ আনতে হবে।

৫. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রমোট করা

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো কোন একটি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বা নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে প্রোডাক্ট প্রমোট করা। যেটা নিয়ে আমাদের এ সকল আয়োজন।

আপনি কী ধরণের কনটেন্ট তৈরি করতে চলেছেন তা এখন আপনি জানেন।
কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং কনটেন্ট লেখা ও শেষ।

এখন আপনার কাজ হবে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বা নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া ইউনিক লিঙ্কগুলো উপযুক্ত আর্টিকেলে বসানো।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য অসংখ্য প্রোগ্রাম ও নেটওয়ার্ক রয়েছে। তার মধ্যে নিচের কিছু জনপ্রিয় দেশি বিদেশি নেটওয়ার্ক ও প্রোগ্রাম এর নাম হলো :

১. Amazon Associates
২. Infolinks
৩. CJ Affiliate
৪. BDShop.com
৫. Bohubrihi.com
৬. Exonhost.com

এফিলিয়েট নেটওয়ার্কগুলির অন্যতম সুবিধা হল সাধারণত কোন পণ্য কিভাবে ভাল বিক্রি হয় সে সম্পর্কে তাদের কাছে তথ্য থাকে। সে তথ্যগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং এর আয় বাড়াতে পারবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন করবেন?

আমাদের দেশে বেকারত্ব হলো একটি বড় সমস্যা। তাই পড়াশোনা বা চাকরির চেষ্টার পাশাপাশি ঘরে বসে উপার্জনের জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং অত্যন্ত ভালো একটি উপায়।

বর্তমানে অনেকেই এটিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এই পেশার কিছু নিজস্ব ধরণ রয়েছে।যেমন :

১. ঘরে বসে নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায়।

২. অন্যের পণ্য বিক্রি করে আয় করা যায়।

৩. নিজের পছন্দমত পণ্য নিয়ে কাজ করার স্বাধীনতা রয়েছে।

৪. স্কিল ডেভেলাপ করার অনেক সুয়োগ রয়েছে এতে।

৫. কোনো কাজের সাথে যুক্ত থেকেও অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে এটিকে বেছে নিতে পারেন।

৭. এক বা একাধিক পণ্য নিয়ে কাজ করা যায়।

৮. এটি একটি লাভজনক এবং সুদূরপ্রসারী শিল্প।

ব্যবসায় এবং ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে এটি দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি এখন প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি
গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হয়েছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেবল একটি ট্রেন্ড নয়, এটি একটি ক্রমবর্ধমান ব্যবসা যেটির সাথে আপনি যুক্ত হতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত সময়,শেখার মানসিকতা ও ধৈর্য নিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen + fifteen =